We Just Opened 3 New Branches!
We're Open, now in Vadodara, Kochi & Nungambakkam (Chennai).
India
Toll free
Our Toll Free Numbers:

1800 313 5555

Call us
You can also call us on:

+91 22 2101 7979

+91 22 2101 6969

Foreign Nationals
Foreign Nationals/NRIs travelling

Within India+91 915 200 4511

Outside India+91 887 997 2221

Business Hours

Business hours: 10AM - 7PM

Explore Veena World Travel Stories

  • Travel Inspiration
  • Destination Guides
  • Travel Tips

মহাপ্রাচীর থেকে উন্নতির চূড়ায় চিন কল্পনার জন্য নয়, অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য।

13 mins. read
Marketing .
Marketing .
13 Mins Read
July 29, 2026
July 29, 2026

Quick Summary

চিনে নিরামিষ খাবার নিয়ে চিন্তা কমান, কারণ বেজিং, সাংহাই এবং অন্যান্য শহরে বৌদ্ধ, ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক অপশন সহজেই পাবেন।

বেজিংয়ের মহাপ্রাচীর, সাংহাইয়ের আকাশরেখা এবং শি’আনের ৮,০০০ টেরাকোটা যোদ্ধা দেখে চিনের ইতিহাসের বড় অংশটা ধরুন।

চেংদুতে বিশালাকৃতি পান্ডাদের সঙ্গে দেখা করুন এবং চা-ঘরের সংস্কৃতিতে সময় দিন।

চংছিং ঘুরুন এবং “৮ডি সিটি” অভিজ্ঞতা নিন, যেখানে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি আর রাস্তা-অট্টালিকা একসঙ্গে মিশে যায়।

ঝাংজিয়াজিয়ের বেলেপাথরের সুউচ্চ শৃঙ্গ, অবতার অনুপ্রেরণা, এবং ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি গতির উচ্চগতির ট্রেন যাত্রা মিস করবেন না।

লাসায় পোতালা প্রাসাদ ও শতাব্দীপ্রাচীন বৌদ্ধ ঐতিহ্য দেখে গভীর সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা নিন।

Published in ABP 19th July 2026

নি হাও!

“কিন্তু আমি তো নিরামিষাশী!”—চিনে ছুটি কাটাতে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পর এক অতিথির কাছ থেকে এই ছিল প্রথম প্রতিক্রিয়া। তিনি এবং তাঁর মেয়ে দু’জনেই খুব উৎসাহিত ছিলেন, কিন্তু নিরামিষ খাবার পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তাঁদের দুশ্চিন্তা ছিল। চিনের প্রধান শহরগুলিতে আপনি অসাধারণ সব নিরামিষ খাবারের বিকল্প পাবেন—বৌদ্ধ রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে ভারতীয় এবং আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলী পর্যন্ত।

আসল প্রশ্নটা “আমি কী খাব?” নয়। আসল প্রশ্ন হল, “আমি এখনও চিনে যাইনি কেন?” বেজিংয়ের মহাপ্রাচীর, সাংহাইয়ের আকাশরেখা এবং শি’আনের ৮,০০০ টেরাকোটা যোদ্ধা চিনের সমৃদ্ধ ইতিহাসের পরিচয় বহন করে, কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত অঞ্চলগুলিই শেষ পর্যন্ত সত্যিকার অর্থে আপনার হৃদয় জয় করে নেয়।

বিশালাকৃতি পান্ডাদের সঙ্গে দেখা করুন এবং চেংদুর চা-ঘরের সংস্কৃতিতে নিজেকে ডুবিয়ে দিন। ঘুরে দেখুন চিনের পাহাড়ি মহানগর চংছিং, যেখানে নাটকীয় পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির মধ্য দিয়ে রাস্তা ও আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলি এমনভাবে পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে যে শহরটি “৮ডি সিটি” নামে পরিচিতি পেয়েছে। ঘুরে বেড়ান ঝাংজিয়াজিয়ের বেলেপাথরের সুউচ্চ শৃঙ্গগুলির মধ্যে, যেগুলি অবতার ছবির ভাসমান পর্বতমালার অনুপ্রেরণা। ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগে ছুটে চলা উচ্চগতির ট্রেনে যাত্রা করুন এবং সবুজে মোড়া উপত্যকার বহু ওপরে ঝুলে থাকা কাচের সেতুর উপর পা রাখুন। আপনি আগে চিনে গিয়ে থাকলেও, ভীণা ওয়ার্ল্ড আপনাকে আবার সেখানে যাওয়ার নতুন কারণ দেয়। রাশিয়া থেকে চিন পর্যন্ত ট্রান্স-সাইবেরিয়ান ট্রেনযাত্রায় যোগ দিন অথবা চলে যান “চিরবসন্তের শহর” কুনমিংয়ে। জেড ড্রাগন স্নো মাউন্টেনের পটভূমিতে অবস্থিত, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত লিজিয়াংয়ের প্রাচীন শহরের খালগুলির মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলুন।

এরপর যাত্রা করুন শাংরি-লার উদ্দেশে, যেখানে তিব্বতি সংস্কৃতি এবং আল্পীয় তৃণভূমির শান্ত পরিবেশ  প্রশান্তির অনুভূতি সৃষ্টি করে। সবশেষে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে দাঁড়ান লাসায়, যেখানে পোতালা প্রাসাদ এবং শতাব্দীপ্রাচীন বৌদ্ধ ঐতিহ্য আপনাকে পৃথিবীর অন্যতম গভীর সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি এনে দেয়।

চিন বিস্ময়কর বৈপরীত্যের এক দেশ, যেখানে ৫,০০০ বছরের সভ্যতা সহাবস্থান করে ভবিষ্যতের শহর এবং প্রকৌশলবিদ্যার বিস্ময়কর সব কীর্তির সঙ্গে। এই দেশ আপনাকে অনুপ্রাণিত করে, বিনম্র করে এবং মনে প্রশ্ন জাগায়, “এরা এসব তৈরি করল কীভাবে?” এবার নিজের চোখে দেখে আসার সময় হয়েছে। তাই চলো, একসঙ্গে বলি—“নি হাও, চিন!

 

ভীণা ওয়ার্ল্ড ট্যুর ম্যানেজার

প্রতিটি চিন ভ্রমণের শুরুতেই আমি দু’রকম মুখ দেখতে পাই—কেউ রোমাঞ্চে উচ্ছ্বসিত, আবার কারও চোখেমুখে অসংখ্য প্রশ্ন। আমাদের অতিথিরা যখন প্রথমবার মহাপ্রাচীরের সামনে এসে দাঁড়ান, তাঁদের প্রতিক্রিয়া সত্যিই অবিস্মরণীয়। কেউ আবেগে অভিভূত হয়ে পড়েন, আবার কেউ নীরবে দাঁড়িয়ে তার বিপুল বিস্তার অনুভব করতে থাকেন।

চিনে ভাষা কখনও কখনও বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে হতে পারে—রেস্তোরাঁর মেনু পড়া হোক, স্টেশনে সঠিক পথ খুঁজে নেওয়া হোক কিংবা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলা—কিন্তু সাহায্য করার জন্য আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকি। বুলেট ট্রেন এবং নিখুঁত পরিকাঠামো প্রথমবার চিনে আসা পর্যটকদের মুগ্ধ করতে কখনও ব্যর্থ হয় না।

তবে আমার কাছে সবচেয়ে তৃপ্তির মুহূর্তটি আসে ভ্রমণের শেষে, যখন কোনও অতিথি হেসে বলেন, “চিন সম্পর্কে এত দিন যা কিছু শুনেছিলাম, এখানে এসে দেখলাম বাস্তবটা তার থেকে একেবারেই আলাদা।” তখনই আমি বুঝতে পারি, পৃথিবীকে নতুন দৃষ্টিতে দেখতে তাঁদের সাহায্য করতে পেরেছি।

 

 

বিশ্বাস করুন বা

না-ই করুন!

চিন, তাইওয়ান ও কোরিয়া সম্পর্কে এমন

কিছু তথ্য, যা সম্ভবত আপনি জানতেন না!

 

  • বিশ্বের বৃহত্তম উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে চিনে, যেখানে ট্রেন ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে ছুটতে পারে।
  • চিনের বহু শহরে মোবাইল পেমেন্টের ব্যবহার এতটাই ব্যাপক যে সঙ্গে নগদ টাকা রাখার প্রয়োজন প্রায় হয় না বললেই চলে।
  • চিনে ৫০টিরও বেশি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে, যা বিশ্বের সর্বাধিক সমৃদ্ধ বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকাগুলির অন্যতম।
  • চিনের কয়েকটি শহরের জনসংখ্যা গোটা একটি দেশের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।
  • চংছিংয়ের পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এমন এক বিস্ময়কর দৃশ্য তৈরি করে, যেখানে কোনও বহুতল ভবনের অষ্টম তলা থেকেও সরাসরি রাস্তার স্তরে বেরিয়ে আসা যায়!
  • ফরবিডেন সিটি বা নিষিদ্ধ নগরীতে প্রায় ৯,০০০টি

কক্ষ রয়েছে।

  • চেংদুতে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম জায়ান্ট পান্ডা সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র।
  • খাল এবং পাথরে বাঁধানো রাস্তার জন্য লিজিয়াংয়ের প্রাচীন শহরকে “প্রাচ্যের ভেনিস” বলা হয়।
  • সারা বছর মনোরম আবহাওয়ার জন্য কুনমিং “চিরবসন্তের শহর” নামে পরিচিত।
  • বিশ্ববিখ্যাত বাবল টি আবিষ্কৃত হয়েছিল তাইওয়ানে।
  • সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিটি শিশুর জন্মের সময়ই তার বয়স এক বছর হিসেবে গণ্য করা হত।
  • দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের দ্রুততম ইন্টারনেট পরিষেবাগুলির কয়েকটির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।।

 

ভীণা ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আবিষ্কার করুন চিন!

         

চিনের কথা ভাবলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মহাপ্রাচীর, বুলেট ট্রেন এবং ভবিষ্যতের শহরের মতো ঝলমলে আকাশরেখা। কিন্তু ভ্রমণের আসল আনন্দ শুরু হয় তখনই, যখন ভিসা, ভাষা, যাতায়াত এবং ভ্রমণ পরিকল্পনার যাবতীয় দুশ্চিন্তা পিছনে ফেলে আপনি শুধু নিজেকে ডুবিয়ে দিতে পারেন ভ্রমণের অভিজ্ঞতায়। আর ঠিক

এই কারণেই ভীণা ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চিনকে আবিষ্কার করার অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে এত বিশেষ।

গ্রুপ ট্যুর: ভীণা ওয়ার্ল্ডের সবকিছু-অন্তর্ভুক্ত চিন ভ্রমণ প্যাকেজগুলি পর্যটকদের সামনে তুলে ধরে দেশটির বহুমাত্রিক রূপ। হাইলাইটস অব চায়না ট্যুরে রয়েছে ম্যাগলেভ ট্রেনে ভ্রমণ, সাংহাই টাওয়ার অবজারভেটরি, দ্য বান্ড, ঝুজিয়াজিয়াও ওয়াটার টাউন, জেড বুদ্ধ টেম্পল এবং সাংহাই সার্কাস শো। পাশাপাশি রয়েছে বেজিংয়ের টেম্পল অব হেভেন, তিয়েনআনমেন স্কোয়ার, ফরবিডেন সিটি বা নিষিদ্ধ নগরী, মহাপ্রাচীর, সামার প্যালেস এবং ন্যাশনাল স্টেডিয়াম দর্শন।

আমাদের বেস্ট অব চায়না এবং সিনিয়র্স স্পেশাল চায়না ট্যুরে সাংহাই, শি’আন এবং বেজিং ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। প্রাচীন ঐতিহ্য এবং আধুনিক চিনের বিস্ময়কর সাফল্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন তুলে ধরে এই ট্যুরগুলি। ভ্রমণসূচিতে রয়েছে টেরাকোটা ওয়ারিয়র্স মিউজিয়াম, বেল অ্যান্ড ড্রাম টাওয়ার্স, ট্যাং ডাইনেস্টি শো এবং বুলেট ট্রেনে বেজিং যাত্রার অভিজ্ঞতা।

যাঁরা চিনকে আরও গভীরভাবে জানতে ও অনুভব করতে চান, তাঁদের জন্য রয়েছে অল অব চায়না ট্যুর। এই ট্যুরে ঘুরে দেখা যায় সাতটি শহর—বেজিং, শি’আন, চেংদু, চংছিং, ঝাংজিয়াজিয়ে, ইচাং এবং সাংহাই। ভ্রমণসূচির আকর্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে চেংদু পান্ডা বেস, হংইয়া কেভ, ঝাংজিয়াজিয়ে ন্যাশনাল ফরেস্ট পার্ক, তিয়ানমেন মাউন্টেনের গ্লাস স্কাইওয়াক, ইয়াংজি নদী এবং সাংহাইয়ের মনোমুগ্ধকর আকাশরেখা।

চায়না এক্সপ্লোরার ট্যুরে নয়টি শহর ভ্রমণের পাশাপাশি রয়েছে থ্রি গর্জেস ড্যাম এবং ইয়াংজি নদীতে ক্রুজের অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে, চায়না ডিলাইটস ট্যুরে পর্যটকেরা ঘুরে দেখতে পারেন কুনমিং, দালি, লিজিয়াং এবং শাংরি-লা। প্রতিটি ট্যুরেই সঙ্গে থাকেন একজন অভিজ্ঞ ট্যুর ম্যানেজার, যিনি গোটা যাত্রাকে নির্বিঘ্ন, স্বচ্ছন্দ এবং অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করে তোলেন।

স্পেশালিটি ট্যুর: প্রত্যেক পর্যটকের ভ্রমণের পছন্দ ও প্রয়োজন আলাদা। তাই ভীণা ওয়ার্ল্ড চিনজুড়ে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ ভ্রমণ প্যাকেজের আয়োজন করে। উইমেন্স স্পেশাল চায়না ট্যুরে রয়েছে সাংহাইয়ের ওরিয়েন্টাল পার্ল টাওয়ার, কেনাকাটার সুযোগ, ট্যাং ডাইনেস্টি শো, মহাপ্রাচীর এবং চিনের বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে, সিনিয়র্স স্পেশাল চায়না ট্যুরে প্রবীণ পর্যটকদের জন্য রয়েছে ধীর ও স্বচ্ছন্দ গতিতে ভ্রমণের সুযোগ এবং নিবেদিত ট্যুর ম্যানেজারের সব সময়ের সহায়তা।

কাস্টমাইজড হলিডেজ: নিজের মতো করে চিনকে দেখতে ও অনুভব করতে চান? আমাদের কাস্টমাইজড হলিডেজ আপনার পছন্দ অনুযায়ী সাজিয়ে দেয় গোটা ভ্রমণ পরিকল্পনা। সাংহাইয়ে বিলাসবহুল হোটেলে থাকা, বেজিংয়ের বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখা, শি’আনের সাংস্কৃতিক ঐশ্বর্যের সন্ধান, ঝাংজিয়াজিয়ের পর্বতমালা ভ্রমণ, চেংদুর পান্ডা সেন্টার দর্শন অথবা ইয়াংজি নদীর তীরে অবকাশযাপন - আপনার আগ্রহ, ভ্রমণের ধরন এবং বাজেট অনুযায়ী সাজিয়ে দেওয়া হয় সম্পূর্ণ যাত্রাপথ।

কর্পোরেট ট্রাভেল ও মাইস: আপনার টিমের জন্য অসাধারণ কোনও আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন? চিন এমন এক গন্তব্য, যেখানে ব্যবসা, উদ্ভাবন এবং ইতিহাস এক অনন্য বন্ধনে মিলেমিশে যায় - সাংহাইয়ের চোখধাঁধানো আকাশরেখা ও বেজিংয়ের রাজকীয় ঐশ্বর্য থেকে শুরু করে বুলেট ট্রেনে রোমাঞ্চকর যাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নদীর ধারে জমকালো গালা ডিনার পর্যন্ত। ভীণা ওয়ার্ল্ডের মাইস টিম নিশ্চিত করে যে প্রতিটি অনুষ্ঠান নিখুঁত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত চিন ভ্রমণটি বেছে নিন... আর ড্রাগনের দেশকে সুযোগ দিন আপনাকে চমকে দেওয়ার!।

 

চাইনিজ চা, নুডলস...

চিন কেবল একটি রন্ধনশৈলীর দেশ নয়, বরং বহু বিচিত্র খাদ্যসংস্কৃতি ও রন্ধন-ঐতিহ্যের মিলনভূমি। ঝাল ও মশলাদার সিচুয়ান রান্না এবং সূক্ষ্ম স্বাদের ক্যান্টনিজ রন্ধনশৈলী থেকে শুরু করে বেজিংয়ের রাজকীয় খাদ্য-ঐতিহ্য ও সাংহাইয়ের সমকালীন খাদ্যসংস্কৃতি—প্রতিটি অঞ্চলই নিয়ে আসে নিজস্ব স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য। চিনে ছুটি কাটানোর অভিজ্ঞতা একই সঙ্গে আপনার চোখ এবং রসনাকে তৃপ্ত করে। তাহলে চিনে গিয়ে কোন কোন খাবার অবশ্যই চেখে দেখবেন?

ডিম সাম – বাঁশের ঝুড়িতে ভাপে রান্না করা ছোট ছোট সুস্বাদু খাবার, যার ভিতরে থাকে সবজি, চিজ, চিকেন অথবা অন্যান্য পুর। হালকা অথচ চিনের খাদ্যসংস্কৃতির অন্যতম পরিচিত ও জনপ্রিয় খাবার।

হট পট – সকলে মিলে একসঙ্গে বসে খাবার উপভোগ করা চিনের অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্য। টেবিলের উপর রাখা ফুটন্ত স্যুপের পাত্রে নিজের পছন্দমতো সবজি, নুডলস, মাশরুম, টোফু এবং মাংস রান্না করে খাওয়ার এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

পেকিং ডাক – বেজিংয়ের কিংবদন্তিতুল্য নিজস্ব পদ। মুচমুচে করে রোস্ট করা হাঁসের মাংস পাতলা প্যানকেক, সবজি এবং ঘন সুস্বাদু সসের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। বিশ্বজোড়া খ্যাতিসম্পন্ন চিনের এক চিরায়ত খাবার।

চিনের চা-সংস্কৃতি – চিনে চা কেবল একটি পানীয় নয়, এটি অতিথি আপ্যায়নের এক সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। গ্রিন টি, উলং টি কিংবা জেসমিন টি—যে চা-ই হোক না কেন, একটি ঐতিহ্যবাহী চা-ঘরে বসে চা পরিবেশনের অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করা নিজেই এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

স্ট্রিট ফুড মার্কেট – প্রাণচঞ্চল রাতের বাজারগুলিতেই যেন চিনের প্রতিটি শহর সত্যিকারের জীবন্ত হয়ে ওঠে। অলিগলির প্রতিটি মোড়ে অপেক্ষা করে থাকে ডাম্পলিং, গ্রিল করা নানা সুস্বাদু খাবার, স্থানীয় স্ন্যাকস এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন।

হাতে টানা নুডলস – দক্ষ রাঁধুনিরা আপনার চোখের সামনেই হাতে টেনে ও ছড়িয়ে তাজা নুডলস তৈরি করেন। নুডলস খাওয়ার আনন্দের মতোই উপভোগ্য সেই নুডলস তৈরির অভিনব কৌশল দেখার অভিজ্ঞতা।

চিনে প্রতিটি খাবারের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কোনও না কোনও অঞ্চলের পরিচয়, প্রতিটি স্বাদ বলে একটি নিজস্ব গল্প এবং প্রতিটি আহারের মধ্যে বহন করে চলেছে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ঐতিহ্য।

তাহলে বলুন, এই গল্পগুলি নিজে গিয়ে আবিষ্কার করতে আপনি কবে আসছেন?

 

জীবনে অন্তত একবার...

আমাকে যা যা করতেই হবে!

 

  • মহাপ্রাচীরের উপর দাঁড়িয়ে দেখব, কীভাবে তা দিগন্তের দিকে এগিয়ে গিয়ে ধীরে ধীরে চোখের আড়ালে মিলিয়ে যায়।
  • দ্য বান্ড ধরে হাঁটব এবং মুগ্ধ হয়ে দেখব আলোয় ঝলমলে সাংহাইয়ের আকাশরেখা।
  • চিনের বুলেট ট্রেনের অবিশ্বাস্য গতির অভিজ্ঞতা অর্জন করব।
  • সম্রাটদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে হেঁটে দেখব ফরবিডেন সিটি বা নিষিদ্ধ নগরী।
  • তাইওয়ানের প্রাণচঞ্চল রাতের বাজার ঘুরে দেখব এবং স্থানীয় খাবারের বৈচিত্র্যময় স্বাদ উপভোগ করব।
  • ১০১ অবজারভেটরি থেকে তাইপেই শহরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করব।
  • লাল লণ্ঠনের আলোয় ঝলমল করা তাইওয়ানের প্রাচীন রাস্তাগুলিতে ঘুরে বেড়াব।
  • কোরিয়ার রাজপ্রাসাদগুলিতে ঐতিহ্যবাহী হানবক পোশাক পরার অভিজ্ঞতা অর্জন করব।
  • সূর্যাস্তের পর সিওলের প্রাণবন্ত ও উচ্ছ্বাসময় পরিবেশ অনুভব করব।
  • কোরিয়ার মায়াবী চেরি ব্লসম উৎসবে যোগ দিয়ে আনন্দ উদ্‌যাপন করব।
  • কিংবদন্তিতুল্য “পৃথিবীর ছাদ” লাসা ভ্রমণ করব।
  • ইয়াংজি নদীতে ক্রুজে ভেসে থ্রি গর্জেসের অসাধারণ সৌন্দর্য প্রত্যক্ষ করব।

দক্ষিণ কোরিয়া

 

যেখানে চিরন্তন ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলেছে আধুনিক পপ সংস্কৃতি

দক্ষিণ কোরিয়া শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য এবং সমকালীন জীবনযাত্রার এক আকর্ষণীয় মেলবন্ধন। এই দেশের প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে সিওল—এমন এক শহর, যেখানে রাজকীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে এগিয়ে চলেছে অত্যাধুনিক উদ্ভাবন। এখানে প্রাচীন প্রাসাদের পাশেই দেখা যায় ভবিষ্যতের পৃথিবীর মতো আধুনিক রাস্তাঘাট, ক্যাফে এবং কে-পপ সংস্কৃতির প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাস। সিওল টাওয়ার অবজারভেটরি থেকে দেখা যায় শহরের অসাধারণ দৃশ্য, অন্যদিকে গিয়ংবকগুং প্রাসাদ এবং ন্যাশনাল ফোক মিউজিয়াম কোরিয়ার ইতিহাসকে যেন জীবন্ত করে তোলে। মিয়ংডং মার্কেটে রয়েছে ফ্যাশন, ত্বকচর্চার সামগ্রী, স্ট্রিট ফুড এবং প্রাণচঞ্চল পরিবেশের এক আকর্ষণীয় সমাহার। প্রকৃতিপ্রেমীরা শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে ঘুরে আসতে পারেন নামি আইল্যান্ড এবং গার্ডেন অব মর্নিং কাম থেকে। অন্যদিকে, কোরিয়ান ডিএমজেড এবং পিস গন্ডোলা রাইড দুই কোরিয়ার বর্তমান ইতিহাসকে যে ঘটনাপ্রবাহ গড়ে তুলেছে, তার এক ঝলক দেখার সুযোগ করে দেয়। দক্ষিণ কোরিয়া কেবল কে-ড্রামা এবং কে-পপের দেশ নয়; এটি এমন এক দেশ, যেখানে ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আধুনিক জীবনযাত্রা পরস্পরের সঙ্গে সুন্দর সামঞ্জস্যে সহাবস্থান করে।

 

তাইওয়ান

প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও নাগরিক জীবনের রঙিন মেলবন্ধন

আয়তনে ছোট হলেও তাইওয়ান বিচিত্র অভিজ্ঞতার এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার—তাইপেইয়ের আধুনিক আকাশরেখা ও প্রাচীন গ্রাম থেকে শুরু করে শান্ত হ্রদ এবং প্রাণচঞ্চল রাতের বাজার পর্যন্ত। তাইপেই ১০১ অবজারভেটরি, চিয়াং কাই-শেক মেমোরিয়াল এবং ন্যাশনাল প্যালেস মিউজিয়াম অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত তাইওয়ানের দীর্ঘ যাত্রার ইতিহাসকে পর্যটকদের সামনে তুলে ধরে। সান মুন লেকে প্রকৃতিই হয়ে ওঠে প্রধান আকর্ষণ, যেখানে রয়েছে মনোরম নৌবিহার, রোপওয়ে ভ্রমণ এবং ওয়েন উ মন্দির দর্শনের সুযোগ। ঘুরে বেড়ান জিউফেন গ্রামের সরু অলিগলিতে এবং ইয়েহলিউ জিওপার্কের বিস্ময়কর শিলাগঠন দেখে মুগ্ধ হন। তাইচুংয়ের রঙিন রেনবো ভিলেজ শিল্প ও সৃজনশীলতার এক প্রাণবন্ত উদ্‌যাপন, অন্যদিকে ফেংজিয়া নাইট মার্কেট পর্যটকদের পরিচয় করিয়ে দেয় তাইওয়ানের প্রাণচঞ্চল পথসংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যময় খাদ্যসম্ভারের সঙ্গে।

 

ভীণা ওয়ার্ল্ডের ‘অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’ পডকাস্টের এই পর্বে নীল ও সুনীলা পাটিল ভ্রমণ করেছেন চংছিংয়ের নিয়ন আলোয় ঝলমলে আকাশরেখা থেকে চেংদুর পান্ডাদের রাজ্য হয়ে বেজিংয়ের মহাপ্রাচীর পর্যন্ত। “নি হাও” বলতে প্রস্তুত? এখনই দেখুন!

 

আমাদের অসাধারণ সুদূর পূর্ব এশিয়ার কম্বিনেশন ট্যুরগুলির মধ্যে থেকে বেছে নিন আপনার পছন্দের ভ্রমণ।

হাইলাইটস অব

জাপান

৫ দিন - ২৫ আগস্ট

186K

(কলকাতা থেকে)

 

বেস্ট অব জাপান

উইথ নাগোয়া

(৭ দিন) ১৯ সেপ্টেম্বর,

১৬ ও ২২ অক্টোবর

246K-256K

 

হাইলাইটস অব চায়না

৭ দিন - ১৬ ও ২৯ সেপ্টেম্বর, ৫ অক্টোবর

176000

 

বেস্ট অব চায়না (৯ দিন)

১৩, ৩০ আগস্ট,

২৯ সেপ্টেম্বর, ৪, ২৫ অক্টোবর

211K-231K

 

জাপান কোরিয়া

১০ দিন

৪ ও ১৩ নভেম্বর

366K-368K

 

জাপান চায়না

১৩ দিন

২৪ অক্টোবর

386K

 

চায়না কোরিয়া তাইওয়ান

১৪ দিন

২১ অক্টোবর

Post your Comment

Please let us know your thoughts on this story by leaving a comment.

Get in touch with us

Share your details for a call back and subscribe to our newsletter for travel inspiration.

+91

Listen to our Travel Stories

You May also like

নর্দার্ন লাইটস
13 mins, read

নর্দার্ন লাইটস

Published in Anandabazar Patrika 9th August 2026 বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আলোর খেলায় আপনার মঞ্চ কোনটি? নর্দার্ন লাইটস   আমরাই আলোকিত করি আপনার পৃথিবী কিছু কিছু ভ্রমণ আমাদের পৃথিবীকে নতুন চোখে

দুবাই এবং আবু ধাবি: যেখানে প্রতিবার ভ্রমণই মনে হয় প্রথমবার
13 mins, read

দুবাই এবং আবু ধাবি: যেখানে প্রতিবার ভ্রমণই মনে হয় প্রথমবার

Published in the Sunday Anandabazar Patrika(ABP) on 26 January, 2025 সম্প্রতি, একজন বন্ধু একটি সহজ কিন্তু চ্যালেঞ্জিং অনুরোধ করেছে: তার একটি দ্রুত আন্তর্জাতিক ফ্যামিলি ট্যুরের আইডিয়া দরকার। গন্তব্য

মনে দক্ষিণ আমেরিকা যাওয়ার হাতছানি?
13 mins, read

মনে দক্ষিণ আমেরিকা যাওয়ার হাতছানি?

Published in the Sunday Anandabazar Patrika(ABP) on 22 September, 2024 আমাজনকে বলা যায় পৃথিবীর ফুসফুস! হ্যাঁ, এটি আমাজনের জন্য একটি উপযুক্ত বর্ণনা! আমি আমাদের সাপ্তাহিক পডকাস্টের জন্য নীলের সঙ্গে দ

Veena World tour reviews

What are you waiting for? Chalo Bag Bharo Nikal Pado!